Description
ঈশ্বরদী, মেয়র ও মিউলের গল্প এবং পৃথিবী এলোমেলো সকালবেলায়-এর পরে এই তৃতীয় কাব্যগ্রন্থের নাম হওয়ার কথা ছিল-‘জিনারদী, জিনারদী’, কারণ কে যেন কবির মাথার মধ্যে সেই কবে বলে দিয়েছে সত্য জানবার ইচ্ছা থাকলে জিনারদী চলে যেতে। সেই থেকে মাসরুর আরেফিন ঘুরছেন পাঁচরুখী, মঠখোলা, বান্টি পার হয়ে ‘দী’ দিয়ে নামের শেষ এমন সব প্রান্তরের পথে পথে-মাধবদী আনন্দী নরসিংদী মৈষাদী চরনগরদী জিনারদী। ওরা বিশ্বপ্রকৃতি আর মানব ইতিহাসের সদর বারান্দা, যার সামনের উঠানে পাতাবাহারের গাছ, যার ওপরের আকাশে জনতার প্রতি হুকুমদাতা বিষাক্ত নীল, আর যার পেছনের জঙ্গলে জাতিগত বিদ্বেষ, শ্রেণিঘৃণা, বর্ণবাদ, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যালান্সশিটের টুকরোটাকরা ধরনের ইট-খোলামকুচি। তারপরও গড়গড় করে এগিয়ে চলেছে দুনিয়া-মেশিন-ভ্রুক্ষেপহীন। দেখা যাচ্ছে স্বর্ণলতা চেপে ধরেছে বটের গাছগুলোকে, আর কোকলতার ওপরে উঠে গেছে আলোকলতাগুলো। হস্টাইল হয়ে উঠছে সব কিছু। বাংলা কী এর? জিনারদীর প্যারেড গ্রাউন্ডের পাশে দাঁড়িয়ে ইনসিকিউরিট ফিল করছেন রোদ্দুর রায়। বাংলা কী এর? বলা হলো, সত্য হচ্ছে এই যে, কোনো রবার বুলেট যখন মাথায় আঘাত করে, তখন যে প্রক্রিয়ায় সে খুলি ভাঙে, সেটা রবার বুলেট ও খুলির মধ্যকার যৌথ এক স্ট্রাকচারাল বিজ্ঞান বটে। বাংলা কী এর? কিন্তু কী দরকার বাংলার? জিনারদীর ভাষা তো ইউনিভারসাল, পরিস্থিতি যেহেতু আগুন হয়ে আছে।
Reviews
There are no reviews yet.