Description
দ্বিধান্বিত, যদিও কাপালিকের বিষয়ে সে সম্পূর্ণ মোহমুক্ত নয়। আর তার স্রষ্টা? তিনি সম্ভবত নির্মোহ থাকতে চান।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করার আগে উপন্যাসের আরেকটি সাক্ষ্য নেয়া যাক। মেদিনীপুর থেকে নিজেদের স্বগ্রাম সপ্তগ্রামে যাওয়ার পথে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে
শিবিকারোহী কপালকুণ্ডলার সাথে পদব্রজে যাওয়ার সময় নবকুমারের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে রাত্রিতে ভগ্ন শিবিকার পাশে মনুষ্যদেহের স্পর্শ পেয়ে সে জানতে চাইলো, ‘এখানে কেহ জীবিত আছে?’
এরপর উপন্যাস থেকে:
‘মৃদুস্বরে এক উত্তর হইল, ‘আছি।’
‘নবকুমার কহিলেন, ‘কে তুমি’?
‘উত্তর হইল, ‘তুমি কে?’ নবকুমারের কর্ণে স্বর স্ত্রীকণ্ঠজাত বোধ হইল, ব্যগ্র হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন ‘কপালকুণ্ডলা নাকি?’
‘স্ত্রীলোক কহিলেন, ‘কপালকুণ্ডলা কে, জানি না-আমি পথিক, আপাতত দস্যুহস্তে নিন্ধুগুলা হইয়াছি।’
Reviews
There are no reviews yet.