Description
মানুষের পরিচয় নাকি সে জীবনে কী হতে চায় তার ভেতরেই। তাহলে আবু জহরত ইমরান, যে স্পষ্ট করে জানত, সে ক্রিকেটার হতে চেয়েছিল, সে কেন ক্রিকেটার হতে পারল না? ঘটনাচক্রে ক্লাব থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো। পরে সে চেয়েছিল খেলাধুলার শিক্ষক হিসেবে কোনো একটি বিদ্যালয়ে চাকরি করতে। সেই চাকরি খুঁজতে গিয়ে পরিচয় হলো সারাবান তহুরা ওরফে সারাহ্র সঙ্গে। স্কুল শিক্ষিকা সারাহ্ তার একটি দিকের পরিচয় মাত্র, পেশাগত পরিচয়। কোনো এক রহস্যময় কারণে তার স্বামী তাকে ছেড়ে গিয়েছিল। প্রথাগত সুন্দরী সে নয়, কিন্তু রহস্যময়ী, আছে এক অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণ। তার জন্য প্রায় পাগল হতে বসেছিল এলাকার মাস্তান, পরে কমিশনার, আমান ডেভিড। অপহরণ করেছিল সারাহ্কে, করেছিল অদ্ভুত সব আচরণ। সারাহ্কে কাছে টেনে নিয়েছিল নির্বাচনে পরাজিত মিল্লাত হোসেন তরফদার, যিনি কিছুদিন আগেও ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। সারাহ্ সমর্পিত হয়েছিল তার কাছে। নিজেকে দেওয়ার ভেতর দিয়ে অন্যকে জানতে চাওয়ার একটা খেয়াল বার বারই জেগে ওঠে সারাহ্র ভেতরে। কিন্তু জহরত, আমান ডেভিড বা ওই প্রাক্তন সাংসদ, এদের কারো কাছেই আসলে উন্মোচিত হয়নি সারাহ্র প্রকৃত মুখ। সারাহ্ও কতটুকু জানতে পেরেছিল তাদের? সে কি খুঁজছিল কাউকে? নাকি চেয়েছিল, কেউ তাকে খুঁজে নিক? নিয়তি তাকে নিয়ে দাঁড় করাল অন্যখানে। বিস্মৃত অতীত থেকে একজন মানুষ হাজির হলো তার সামনে।
Reviews
There are no reviews yet.