Description
বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
বাবা আর মা বড্ড ফানি হয়ে থাকে। এটা সব বাবা আর মায়ের বেলাতেই সত্যি। তাদের বাচ্চাটা যদি দুনিয়ার সবচেয়ে জঘন্য বাচ্চাও হয়, একেবারে পাজির পা-ঝাড়া, পুরোপুরি ইবলিশ, তবুও তারা মনে করেন বাচ্চাটা একেবারে চাঁদের টুকরো! কোনো কোনো বাবা-মা বাচ্চাদের ব্যাপারে এতই অন্ধ যে একেবারে অগা টাইপের বাচ্চাটাকেও মনে করেন পৃথিবীর এক নম্বরের জিনিয়াস।
তারা যখন তাদের সন্তানদের মেধা নিয়ে বলতে শুরু করেন, তখন তাদের কাণ্ডজ্ঞান থাকে না। আমরা তখন চেঁচাতে থাকি, এবার থামুন, বেসিন কোথায়? আপনার কথা শুনে বমি আসছে। অথচ নিজেদের সন্তানদের মধ্যে আসল ভালোটাকে দেখলে তাদের মেজাজ বিগড়ে যায়। অবশ্য এটাও ঠিক, অধিকাংশ বাচ্চাই তাদের মা-বাবার জীবন বিষিয়ে তোলে বলে তাদের ধারণা, আসলে তাঁরা কচুটা জানেন। ছেলেমেয়েদের মধ্যে যেটা সবচেয়ে আহাম্মক সেটাকে মনে করেন অ্যাঞ্জেল-দেবশিশু, আর আসলে ভালো যে কোনটা তা বুঝতে পাবার ক্ষমতা তাদের অনেকেরই নেই।
এমনই অদ্ভুত মাতিলদার বাবা-মা। ছেলেটাকে তারা বেশ সহ্য করেন, কিন্তু মাতিলদা হলে তাদের গা জ্বলতে শুরু করে।
মাতিলদা আসলে দারুণ ব্রিলিয়ান্ট, কিন্তু মিস্টার ওয়ার্মউড কিংবা তার স্ত্রী কেউই এই মেয়েটিকে সহ্য করতে পারেন না। মাতিলদা টেলিকাইনোসিসও শিখে ফেলেছে। তার ইচ্ছেশক্তি বস্তুর উপর প্রয়োগ করে তার ইচ্ছেমতো বস্তুকে ব্যবহার করতে পারে।
রোয়াল্ড ডাল-এর মাতিলদা কাহিনি আন্দালিব রাশদী যেভাবে অনুবাদ করেছেন একবার পড়তে শুরু করলে শেষ না করে যে উঠতে পারবেন না।
Reviews
There are no reviews yet.