Description
রাজধানীর কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলে সাইফুল তালুকদার নামে এক প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়! হোস্টেলে নারীর নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে নারীবাদী সংগঠনগুলো, দোষীদের শাস্তির দাবিতে ফুঁসে ওঠে প্রকৌশলী পরিষদ। গণমাধ্যম সরগরম হয়ে ওঠে, সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ে! মামুলি মামলা মুহূর্তে হয়ে ওঠে ‘টক অব দ্য টাউন’! প্রয়াত প্রকৌশলীর স্ত্রী ডা. আনার কলি ও তার কথিত ‘রানিংমেট’ মামুন রায়হানকে আটক করা হয়। প্যারালাল জিজ্ঞাসাবাদে একের পর এক বের হয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য!সাইফুল তালুকদার তার সুশ্রী স্ত্রীকে নিয়ে সব সময় সন্দেহবাতিকতা বা ‘ওথেলো সিনড্রোমে’ ভুগতেন। নিজের চাকরি, চেহারা আর আনার কলির ক্যারিয়ারকেন্দ্রিক উচ্চাভিলাষ নিয়েও তার ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স ছিল। স্বল্প পরিচিত অল্পবয়সি মামুনের সাথে স্ত্রীর সম্পর্কের সমীকরণ, সন্তানের নিউরো জেনেটিক ডিসঅর্ডার, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বোনের বিরোধ, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে কোম্পানিতেও কোণঠাসা অবস্থা-সব মিলিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ডিপ্রেশনে আটকা পড়েন তিনি। এসব কারণেই কি সাইফুল ছাদ থেকে স্বেচ্ছায় লাফিয়ে পড়েন? নাকি মামুনের মদতে মধ্যরাতে হোস্টেলে ডেকে তাকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়? নাকি পূর্বপরিকল্পিত পারিবারিক ষড়যন্ত্রের শিকার! হত্যা, আত্মহত্যা অথবা দুর্ঘটনা এই তিন আশঙ্কায় তদন্ত এগোচ্ছে…
Reviews
There are no reviews yet.