Description
উনিশ শতকের শেষ দিকে মনস্তত্ত্বের বিজ্ঞানধর্মী আলোচনার সূত্র ধরেই ধর্ম অধ্যয়নের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে। ধর্মের বিজ্ঞানধর্মী পঠনপাঠন বা অধ্যয়নের ফলেই মানুষ বুঝতে পারে আচার-আচরণ, চিন্তন এবং অনুভূতির ধর্মীয় পন্থা সম্পর্কে আমাদের কীভাবে অগ্রসর হতে হয়। ওই সময়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উইলিয়াম জেম্স-কে আমন্ত্রণ জানানো হয় এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিফোর্ড বক্তৃতা প্রদানের জন্য। উইলিয়াম জেম্স এই আমন্ত্রণ সানন্দে গ্রহণ করে ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত চর্চার বিষয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক বক্তৃতা প্রদান করেন। এসব বক্তৃতায় তিনি ধর্মকে প্রকৃতিবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা হিসেবে চিহ্নিত করতে প্রয়াসী হন। আর তখন থেকেই শুরু হয় ধর্মের বিজ্ঞানধর্মী আলোচনা ও চর্চার। স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, ধর্মমনস্তত্ত্ব হচ্ছে ধর্মীয় বিষয়াদির মনস্তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান, ধর্মীয় বিশ্বাসের যৌক্তিকতা নিয়ে গবেষক করা ধর্মমনস্তত্ত্বের অন্যতম কাজ। আর এখানেই নিহিত রয়েছে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান হিসেবে ধর্মমনস্তত্ত্বের স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য।
Reviews
There are no reviews yet.