Description
‘বামপন্থা ব্যর্থ, লিবারাল হিউম্যানিস্ট অ্যাপ্রোচ ব্যর্থ পৃথিবীর মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য ঠেকাতে। কেউ কিচ্ছু করেনি, শিল্পী সাহিত্যিকেরা বোঝেইনি যে কী করতে হবে, কী লিখতে হবে। উল্টো তারাও লিবারালিস্ট, “মানবতাবাদী” লেখাকে পূজনীয় গণ্য করে বিরাট জনগোষ্ঠীকে সাহিত্য বিচ্ছিন্ন করে বসেছে। এটা একটা এন্টায়ার আউটলুকের ব্যর্থতা। টোটালটা ইতিহাসের বিগেস্ট ফেলিওর এই আমাদের লেখকদের মৃত, “মানবতাবাদী ওয়ার্ল্ডভিউ”।”
‘কারও বাণী শোনার আশা ও অপেক্ষায় থাকলে আমরা ভুল করব। যার বাণী শুনব, তাঁর হাতেই সিস্টেম এক্সপ্লয়েটেড হবে, যেভাবে এত শত বছর হয়েছে “জ্ঞানী”দের হাতে।
‘ক্ষমতাকে ইতিহাসের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে ফেলে দেখতে হবে। আধুনিক এই সময়ে ক্ষমতা মানে মোড়লের হাতে গ্রামবাসী জরিনার মৃত্যুই শুধু না । কোনো সাহিত্যিক মোড়ল মেরে তাঁর লেখায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে দিলেন, ব্যাপারটা আর তেমন নেই। সাহিত্যে “মানবতাবাদী” অবস্থানের কথা যখন লেখক নান্দনিক প্রয়োজনের বাইরে গিয়ে বলেন, তখন সেটা সাহিত্য যেমন হয় না, তেমন ক্ষমতাকে সাপোর্ট করে বসাও হয়ে যায়।
— এই প্রগতি সেলফ-ডেস্ট্রাকটিভ। সে নিজেকে নিজে খেয়ে ফেলেছে, কারণ উইপোকারা বানিয়েছে এই পরিমাণ বৈষম্যের এই সিস্টেম।
‘বিদ্যমান দার্শনিক ক্যাটেগরিতে ফেলে জীবনকে মূল্যায়ন করা ভুল, কারণ পশ্চিমা দার্শনিক ট্র্যাডিশন আমাদেরকে খুবই সাদা-কালো এবং অতিরিক্ত
সিমপ্লিফায়েড একটা ওয়ার্ল্ডভিউ দিয়ে গেছে।’
Reviews
There are no reviews yet.